নিজস্ব প্রতিবেদন ২৫ ডিসেম্বার ২০২৪ ০৩:৩১ এ.এম
ছবি: সংগৃহীত
বিনা মূল্যের পাঠ্যবই ছাপানোর জন্য জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) ১১৬টি মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে। বইয়ের মান নিয়ে যেহেতু আপস হবে না, এটা বুঝতে পেরে এবার ১১৬টি প্রেসই ঐক্যবদ্ধ হয়ে সিন্ডিকেট করে। প্রায় ৪০ ভাগ টেন্ডারে একজনের বেশি টেন্ডার জমা দেয়নি। এই সিন্ডিকেটের কারণে বইয়ের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে প্রায় ১৬ থেকে ২০ শতাংশ। তার পরও অধিক মুনাফার লোভে রাতের আঁধারে নিম্নমানের কাগজে পাঠ্যবই ছাপাচ্ছে কিছু ছাপাখানা।
জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা গত এক মাসে ছাপাখানাগুলো পরিদর্শনে গিয়ে নিম্নমানের কাগজে ছাপানো বই হাতেনাতে ধরেন। কোন ছাপাখানায় বইয়ের কাগজ নিম্নমানের। আবার কোনটির বইয়ের বাইন্ডিং ঠিক নেই। কিছু ছাপাখানায় কাগজের বাস্টিং ফ্যাক্টর কম, বইয়ের সামনের ও পেছনের মলাট খুলে যাচ্ছে। এমন সাত লক্ষাধিক নিম্নমানের পাঠ্যবই ও বইয়ের ফর্মা কেটে বিনষ্ট করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র ইত্তেফাককে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) একজন কর্মকর্তা ইত্তেফাককে বলেন, নতুন শিক্ষাবর্ষের জন্য মানসম্মত বই দিতে কঠোর অবস্থানে সরকার। প্রেসে-প্রেসে কাগজ ও ছাপা হওয়া বই তদারকির জন্য সরকার তৃতীয় পক্ষের দুটি ইন্সপেকশন এজেন্সি নিয়োগ দিয়েছে। এছাড়া বরাবরের মতোই সরকারের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো কাজ করছে। মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানের ছাপার কার্যক্রম সরেজমিন তদারকি করতে এবার নতুন করে বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের আরও ১৫০ জন শিক্ষককে দায়িত্ব দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তারা নিয়মিত সংযুক্ত মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানের বাস্তবিক অবস্থা, কাগজ সরবরাহ, টেস্টিং রিপোর্ট, ছাপার মান, প্রতিদিনের কর্মপরিকল্পনা, বই ছাপার অগ্রগতি ও সরবরাহ প্রতিবেদন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে পাঠাচ্ছেন। এ কারণে এবার নিম্নমানের পাঠ্যবই ছাপিয়ে পার পেয়ে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। বর্তমানে প্রাথমিক ও মাধ্যমিকের ৪০ কোটি ১৪ লাখ ৯৫ হাজার ৮৪১টি পাঠ্যবই ছাপানোর কাজ চলমান। গতবারের চেয়ে এবার কাগজের পুরুত্ব ও উজ্জ্বলতা বাড়ানো হয়েছে। গত বছর কাগজের পুরুত্ব ছিল ৭০, আর উজ্জ্বলতা ছিল ৮০। এ বছর কাগজের পুরুত্ব ৮০ এবং উজ্জ্বলতা ৮৫ করা হয়েছে। একই সঙ্গে বার্স্টিং ফ্যাক্টর নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে ১৬।
এদিকে সরকারের বিনা মূল্যের পাঠ্যবই মুদ্রণের জন্য আগামী ২৫ মার্চ পর্যন্ত সময় চেয়ে শিক্ষা উপদেষ্টা বরাবর চিঠি পাঠিয়েছিলেন বাংলাদেশ মুদ্রণ শিল্প সমিতির সিনিয়র ভাইস-চেয়ারম্যান জুনায়েদুল্লাহ আল মাহফুজ। এ নিয়ে ব্যাপক আলোচনার পর তড়িঘড়ি করে রবিবার সংবাদ সম্মেলন ডেকে ক্ষমা চেয়েছেন তিনি।
এর আগে শিক্ষা উপদেষ্টা বরাবর দেওয়া চিঠিতে সমিতির সিনিয়র ভাইস-চেয়ারম্যান জুনায়েদুল্লাহ আল মাহফুজ লেখেন, ২০২৫ সালের পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণের জন্য আগামী ২৫ মার্চ পর্যন্ত সময় প্রয়োজন। এর আগে পাঠ্যবই ছাপা শেষ করা সম্ভব নয়। একই সঙ্গে টেন্ডারের শর্ত অনুযায়ী ৫০ শতাংশ বই জানুয়ারিতে সরবরাহের শর্ত রহিত করা এবং পুস্তক মুদ্রণের আগে আংশিক বিল পরিশোধেরও দাবি জানান তিনি। চিঠির বিষয়টি জানাজানি হলে চাপের মুখে পড়ে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। পরিস্থিতি সামাল দিতে এনসিটিবি কর্মকর্তাদের পরামর্শে রাতে আবার শিক্ষা উপদেষ্টা বরাবর চিঠি লেখেন মুদ্রণ সমিতির এই নেতা। তাতে ‘বিভ্রান্তি ছড়ানোয়’ ও ‘জাতীয় স্বার্থবিরোধী কাজ’ করায় জাতির কাছে ক্ষমা চান তিনি। এদিকে প্রাথমিকের সব বই এবং মাধ্যমিকের ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির বাংলা, ইংরেজি ও গণিত বই ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে স্কুলে পৌঁছাতে সক্ষম হবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এ কে এম রিয়াজুল হাসান।
এতে সমর্থন জানিয়েছে মুদ্রণ মালিক সমিতি। রবিবার রাতে সংবাদ সম্মেলনে এনসিটিবি চেয়ারম্যান বলেন, ‘৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রাথমিকের সব বই এবং মাধ্যমিকের ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির বাংলা, ইংরেজি ও গণিত বই মুদ্রণ মালিক সমিতি পৌঁছাতে সক্ষম হবেন বলে আমাদের জানিয়েছে। অপরদিকে জানুয়ারির ১০ তারিখের মধ্যে মাধ্যমিকের অন্য পাঁচটি বই এবং জানুয়ারির ২০ তারিখের মধ্যে মাধ্যমিকের বাকি সব বই পৌঁছে দেওয়ার কথা হয়েছে। এজন্য তারা সব ধরনের সহযোগিতা চেয়েছে—আমরা সেই লক্ষ্যে কাজ করছি।’
সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে এনসিটিবির চেয়ারম্যান রিয়াজুল হাসান বলেন, ‘শিক্ষা উপদেষ্টা মুদ্রণ মালিক সমিতির সমস্যাগুলো জেনে সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। এরপর ২৪ ঘণ্টা না যেতেই পরদিন উপদেষ্টা বললেন, আমি কাগজ ও কার্ডের সংকট সমাধান করে দিয়েছি। তাদের বলেন, তারা (মুদ্রণ মালিকেরা) কাজ শুরু করুক এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বই দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিক। তাদের সভাপতি ও সেক্রেটারিকে আমি বলেছি শুক্রবার সংবাদ সম্মেলন করে যা আলাপ-আলোচনা হয়েছে তুলে ধরুন। কিন্তু তারা সেই কাজটি রবিবার এসে করলেন, সেই কারণে কিছুটা বিভ্রান্তিমূলক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
হাদি হত্যার প্রধান আসামি প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে যা জানালেন
সুপ্রিম কোর্টের প্রধান ফটকের পাশ থেকে ৬টি সাউন্ড গ্রেনেড উদ্ধার
গুম হওয়া ব্যক্তিদের পরিবারকে ভাতা দিতে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দেব: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী
দিল্লিতে মাহদী হাসানের সঙ্গে ঠিক কী হয়েছিল?
পটুয়াখালী-৩ আসনে নুরুল হক নুর বেসরকারিভাবে জয়ী
৯৩ কেন্দ্রের ফলাফল: বড় ব্যবধানে এগিয়ে মির্জা ফখরুল
সুষ্ঠু ভোটে যে রেজাল্ট হোক আমরা মেনে নেব: জামায়াত আমির
নির্বাচনের ফলাফল বিলম্বিত হওয়ার কোনো কারণ নেই: ইসি সচিব
ভোটকেন্দ্র দখলের চেষ্টা, সেনাবাহিনীর হাতে বিএনপির ১৩ নেতাকর্মী আটক
রেকর্ড গড়ছে ‘ত্রয়োদশ’ : ইতিহাসের সর্বোচ্চ দল ও প্রতীকের লড়াই
শান্তি ও সৌহার্দ্যপূর্ণ ভোটের পরিবেশ রক্ষার্থে দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান সিইসির
নির্বাচন ডাকাতি আর না ঘটে সেই ব্যবস্থা করতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা
‘মোন্থা’র প্রভাবে সারা দেশে ৫ দিন বৃষ্টির আভাস
তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবিতে শিক্ষার্থীদের শপথ
এক দিনে আবার বাড়ল দেশের স্বর্ণের দাম
সাবেক চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রেজাউল করিম বরখাস্ত
সোয়া দুই লাখ কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ এস আলমের বিরুদ্ধে
প্রথমবার বাংলাদেশে আসছেন জাকির নায়েক
হাজার হাজার দেশপ্রেমিকের হত্যার নির্দেশদাতা ছিলেন হাসিনা: চিফ প্রসিকিউটর
তরুণ কৃষি উদ্যোক্তাদের জন্য ‘সোশ্যাল বিজনেস ফান্ড’ গঠনের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার
ড. ইউনূসের সঙ্গে ইতালির প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ হবে কিনা, স্পষ্ট করলেন প্রেস সচিব
শেখ হাসিনার বিচারকাজ সম্প্রচারের সময় সাইবার অ্যাটাক
বিশৃঙ্খলাকারীকে চিহ্নিত করে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
ইতালির উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করলেন প্রধান উপদেষ্টা
সারাবিশ্ব দেখেছে বাংলাদেশ কী ভূমিকা রাখতে পারে
আজ রোম যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা
সেন্ট মার্টিন-বঙ্গোপসাগর ঘিরে বড় শক্তির বিপজ্জনক খেলা
রাজধানীতে হিট অফিসার বুশরার সিসা বার
হাসিনার চিকিৎসকের ছেলে ও সাবেক মন্ত্রীপুত্রের সিসা বার খুলে দিতে তদবির
রাজনৈতিক দলের ঐকমত্যে জুলাই সনদ সই হবে: ধর্ম উপদেষ্টা